নবম শ্রেণী ভূগোল সপ্তম অধ্যায়

 

                   ।।    নবম শ্রেণী ভূগোল সপ্তম অধ্যায়।।   সম্পদ অধ্যায় ।।

                                   ।।  অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর  ।।

১। পৃথিবীর একটিমাত্র স্থানে পাওয়া যায় এমন সম্পদকে কী বলে ?

উঃ-  অনন্য সম্পদ/একমাত্ৰলভ্য সম্পদ।

২।  সম্পদের গুণগত পরিমাণ বৃদ্ধির উপায় কী?

  উঃ-কার্যকারিতার বৃদ্ধি।

৩।  একটি জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ দাও

উঃ- কয়লা।

৪।  কোন্ প্ৰচলিত শক্তিকে সাদা কয়লা বলে

উঃ- জলবিদ্যুৎ শক্তিকে।

৫।  কোন শ্রেণির কয়লা সবচেয়ে উৎকৃষ্ট?

উঃ-  অ্যানথ্রাসাইট।

৬।  খনিজ তেলে কোন্ উপাদান বেশি পরিমাণে থাকে?

 উঃ- হাইড্রোকার্বন।

৭। পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনে কোন পদ্ধতি বেশি ব্যবহার করা হয় ?

উঃ- পারমাণবিক বিভাজন।

৮।   কোন্ ধরনের শক্তি উৎপাদনে পরিবেশ দূষণের ভয় থাকে না ?

উঃ- অপ্রচলিত শক্তি।

৯।  সুন্দরবনের দুর্গদুয়ানি খাঁড়ি থেকে কোন্ শক্তি পাওয়া যেতে পারে ?

উঃ- জোয়ারভাটা শখি।

১০।  পেট্রোলিয়ামের অপর নাম কী?

উঃ- হাইড্রোকার্বন।

১১।  খনিজ তেল ধারণকারী ভাঁজের ঊর্ধ্বভঙ্গকে কী বলে ?

উঃ-  পুল।

১২।  শিল্পে কোন্ ধরনের কয়লা বেশি ব্যবহৃত হয়?

উঃ- বিটুমিনাস

১৩।  দক্ষিণ ভারতের একটি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নাম কী?

উঃ- কালপক্কম।

১৪।  তরল সোনা কী?

উঃ- খনিজ তেল।

১৫।  নিরপেক্ষ উপাদানের অন্তর্নিহিত গুণ সম্পর্কে অনুমানকে কী বলে ?

উঃ- সম্পদ উপলখি।

১৬।  বায়ুশক্তি উৎপাদনে পৃথিবীতে ভারতের স্থান (2012) কততম ?

উঃ- পঞ্চম।

১৭।  ভারতের কোন্ অঞ্চল থেকে সর্বাধিক খনিজ তেল উত্তোলিত হয় ?

উঃ- পশ্চিমাঞ্চল।

১৮ ।  পশ্চিমবঙ্গের কোথায় খনিজ তেল পাওয়া সম্ভব ?

উঃ-সুন্দরবনে।

১৯।  সাগর সম্রাট কী?

উঃ-ভাসমান তৈল উত্তোলক জাহাজ।

২০।  একটি প্রবহমান সম্পদের নাম লেখো।

উঃ-  সূর্যরশ্মি।

২১।  কয়লার দুটি উপজাত দ্রব্যের নাম লেখো।

উঃ- পিচ, আলকাতরা।

২২।  ভারত কত শতাংশ খনিজ তেল আমদানি করে ?

উঃ-  ৪০ শতাংশ।

২৩।  OIL-এর পুরো অর্থ কী?

উঃ-Oil India Limited.

২৪।  যেসকল বস্তুর কার্যকারিতা বা উপযোগিতা নেই তাদেরকে কী বলে ?

 উঃ-নিরপেক্ষ বস্তু

২৫।  সম্পদের অভাবমোচনের ক্ষমতাকে কী বলা হয়?

উঃ- উপযোগিতা।

২৬।  যেসকল সম্পদ প্রকৃতি থেকে পাওয়া যায় তাদেরকে কী বলে ?

উঃ- প্রাকৃতিক সম্পদ।

২৭।  জীবজগত থেকে প্রাপ্ত সম্পদকে কী বলে ?

উঃ-জৈব সম্পদ।

২৮।  যেসকল সম্পদ স্পর্শ করা যায় না তাদেরকে কী বলে

উঃ- অবস্তুগত সম্পদ।

২৯।  আকরিক লোহা রপ্তানিতে ভারতের স্থান কততম ?

উঃ- পঞ্চম।

৩০।  মানুষের জ্ঞান, বুদ্ধি, প্রয়োগকৌশল কী ধরনের সম্পদ

উঃ- সাংস্কৃতিক সম্পদ।

৩১।  যেসকল সম্পদ কোনো দেশের অধীনে থাকে তাদেরকে কী বলে ?

উঃ- জাতীয় সম্পদ।

৩২।  পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয় এরূপ জ্বালানিকে কী বলে

উঃ- সবুজ জ্বালানি।

৩৩।  সম্পদ সৃষ্টির বাধা কয়প্রকার ?

উঃ- তিন প্রকার।

৩৪।   জাতীয় তাপবিদ্যুৎ সংস্থা কবে গঠিত হয়।

উঃ- 1975 সালে।

৩৫। . অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ কী ধরনের সম্পদ ?

উঃ- আন্তর্জাতিক সম্পদ।

৩৬।  জনসংখ্যার বিচারে ভারত কততম দেশ?

উঃ- দ্বিতীয় বৃহত্তম।

৩৭।  বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কর্মক্ষম মানুষ কোন্ দেশে বাস করে ?

উঃ- ভারতে।

৩৮।  বিশুদ্ধ লোহার পরিমাণ অনুসারে আকরিক লোহাকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়

উঃ- চারভাগে।

৩৯।  পৃথিবীতে মোট উত্তোলিত কয়লার কত শতাংশ লিগনাইট শ্রেণির ?

উঃ-15 শতাংশ।

৪০। কয়লাতে কার্বনের পরিমাণ খুব বেশি থাকলে তাকে কী বলে ?

উঃ- গ্রাফাইট।

৪১। পেনসিলের শিষ তৈরি করা হয় কী থেকে ?

উঃ- গ্রাফাইট থেকে।

৪২।  ভারতে সজ্জিত কয়লার অধিকাংশই (প্রায় 99%) কোন্ যুগের ?

উঃ- গণ্ডোয়ানা যুগের।

৪৩।  ভারতে সঙ্কিত গণ্ডোয়ানা যুগের বেশিরভাগ কয়লা কোন্ শ্রেণির ?

উঃ- বিটুমিনাস শ্রেণির।

৪৪।  ভারতে কয়লা উত্তোলনে পশ্চিমবঙ্গের স্থান কততম?

উঃ- চতুর্থ।

৪৫।  ভারতের গভীরতম খনিজ তেলের খনি কোনটি

উঃ- ডিগবয়।

৪৬।  বর্তমানে কোন শক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে?

উঃ-অচিরাচরিত শক্তি।

৪৭।  যে তেল শিলার মধ্যে পাওয়া যায় তাকে কী বলে?

উঃ-  শিলা তেল বা পেট্রোলিয়াম।

৪৮।  রাসায়নিক উপাদানের তারতম্যের ভিত্তিতে খনিজ তেলকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়

উঃ-তিনভাগে।

৪৯।  বর্তমানে বিশ্বের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কত শতাংশ পারমাণবিক শক্তি থেকে আসে?

উঃ-15 শতাংশ।

৫০।  মহারাষ্ট্রের একটি নির্মিয়মাণ পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের নাম কী?

উঃ- জইতাপুর।

৫১।  1 পাউন্ড ইউরেনিয়াম থেকে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় ?

উঃ- প্রায় 12,000 মেগাওয়াট।

৫২।  বাতাসের গতিবেগকে কাজে লাগিয়ে কোন্ শক্তি উৎপাদন করা হয় ?

উঃ-  বায়ুশক্তি।

 

                       ।।  সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর ।। প্রতিটি প্রশ্নের মান ২ ।।

 

১।  সম্পদ কী?

উঃ-   বিশিষ্ট সম্পদ শাস্ত্রকার জিমারম্যানের মতে—“সম্পদ বলতে কোনো বস্তু বা পদার্থকে বোঝায় না, বোঝায় ওই বস্তু বা পদার্থের কার্যকারিতাকে যা মানুষের চাহিদা পূরণ করে।যেমনকয়লা, খনিজ তেল ইত্যাদি।

২।  সম্পদের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য কী কী?

উঃ-   সম্পদের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হল

[ক ] উপযোগিতা : অভাব মোচনের ক্ষমতা।

[খ ]  কার্যকারিতা: উপযোগিতাকে কার্যকর করে মানুষের অভাব মোচন করা

৩।   নিরপেক্ষ উপাদান কী?

উঃ-  পরিবেশ থেকে প্রাপ্ত যেসব বস্তু বা উপাদানের কোনো উপযোগিতা বা কার্যকারিতা নেই, প্রকৃতিতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকে, সেইসব সামগ্রী হল নিরপেক্ষ উপাদান (neutral staff) যেমনএকখণ্ড পাথুরে জমি নিরপেক্ষ উপাদান।

যেমনকয়লা পুড়ে তাপশক্তি উৎপন্ন করে, এটা কয়লার কার্যকারিতা। ওই তাপশক্তি মানুষের নানা উপকারে আসে এটা উপযোগিতা।

৪।  সম্পদ সৃষ্টির উপাদানগুলি কী কী?

উঃ-  সম্পদ সৃষ্টির তিনটি প্রধান উপাদান হল— [1] প্রকৃতি, [2] মানুষ [3] সংস্কৃতি। এরা কখনও এককভাবে আবার কখনও সম্মিলিতভাবে সম্পদ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।

৫।  প্রাকৃতিক সম্পদ কী ?

উঃ-  প্রকৃতি থেকে যেসব সম্পদ সহজেই পাওয়া যায় তাকে প্রাকৃতিক সম্পদ (natural resource) বলে। যেমনসূর্যালোক, বায়ু, নদী তীরবর্তী উর্বর পলিমাটি প্রভৃতি।

৬। পুনর্ভব সম্পদ কী?

উঃ-  প্রকৃতিতে এমন কিছু সম্পদ আছে যাদের পরিমাণ সীমিত নয় এবং ব্যবহারে শেষ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই, সেগুলি পুনর্ভব সম্পদ। যেমনসৌরকিরণ, বায়ু, সমুদ্রস্রোত প্রভৃতি।

৭।   গচ্ছিত বা অপুনর্ভব সম্পদ কী?

উঃ- প্রকৃতিতে এমন কিছু সম্পদ আছে যাদের পরিমাণ সীমিত, ক্রমাগত ব্যবহারে শেষ হয়ে যায়, সেগুলি গচ্ছিত বা অপুর্নভব সম্পদ। যেমনকয়লা, খনিজ তেল।

 ৮।  আঞ্চলিক সম্পদ কী?

উঃ- যেসকল সম্পদের অবস্থান কোনো ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ তাদেরকে আঞ্চলিক সম্পদ বলে। যেমনকয়লা, লোহা, সোনা প্রভৃতি।

৯।  জৈব সম্পদ কী ?

উঃ-  জীবজগৎ থেকে যেসকল সম্পদ পাওয়া যায়, তাদেরকে বলে জৈব সম্পদ। যেমনদুধ, মাংস, কাঠ প্রভৃতি।

১০।  অবস্তুগত সম্পদ কী?

উঃ- যেসকল সম্পদ স্পর্শযোগ্য নয় তাদেরকে বলে অবস্তুগত সম্পদ। এই সম্পদগুলি মানুষের সাংস্কৃতিক পরিবেশ থেকে আহরণ করা হয়। যেমনদক্ষতা, শিক্ষা প্রভৃতি।

১১।  সম্ভাব্য সম্পদ কী ?

উঃ-  যেসব সম্পদের ভৌগোলিক অস্তিত্ব ব্যবহারযোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও পরিবেশগত বাধার কারণে ওই সম্পদের পূর্ণ ব্যবহার করা যায়নি সেগুলি হল সম্ভাব্য সম্পদ। যেমনদক্ষিণ মেরুর বরফাবৃত ভূমিভাগ

১২। সম্পদ উপলখি কী?

উঃ- সম্পদ উপলব্ধি (resource perception) হল নিরপেক্ষ উপাদানের অন্তর্নিহিত কার্যকারী গুণ সম্পর্কে অনুমান এবং প্রাথমিক অনুধাবন। এই উপলব্ধি প্রযুক্তি, প্রয়োজন, পরিবেশ ভাবনা প্রাচুর্য ভেদে পরিবর্তনশীল। যেমনআখের ছিবড়া থেকে কাগজ তৈরি।

১৩।  সম্পদ সংরক্ষণ কী?

উঃ- সংরক্ষণ কথার অর্থ বিশেষ উদ্দেশ্যে রক্ষা করা। সম্পদের অপচয় রোধ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে পরিমিত ব্যবহারের মাধ্যমে, সম্পদের ভাণ্ডার বৃদ্ধি করার কৌশল হল সম্পদ সংরক্ষণ।

১৪। খনিজ সম্পদ কী?

উঃ-  মাটির নীচ থেকে খনন করে যে সম্পদ পাওয়া যায় তা খনিজ সম্পদ। যেমনকয়লা, খনিজ তেল প্রভৃতি। খনিজ সম্পদের নির্দিষ্ট রাসায়নিক সংযুক্তি প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য থাকে। 

১৫।  সম্পদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য কী? উত্তর সম্পদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্য হল

উঃ- [1] পরিবেশের গুণগতমান বজায় রাখা। [2] ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সম্পদ সঞ্চয় করা। [3] সম্পদের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা। [4] সম্পদের অপচয় রোধ করা।

১৬।  আকরিক লোহাকে কী কী ভাগে ভাগ করা যায়?

উঃ-  লোহার পরিমাণ উৎকৃষ্টতা অনুসারে আকরিক লোহাকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যথাম্যাগনেটাইট (Fe) Og). হেমাটাইট (Fe2O3), লিমোনাইট (2Fe2O3, 3H2O) সিডেরাইট (FeCO) |

১৭। . ভারত কোন্ কোন্ দেশে আকরিক লোহা রপ্তানি করে ?

উঃ- ভারত জাপান, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, চিন, ইরান, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে আকরিক লোহা রপ্তানি করে। ভারত বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ।

১৮।  ভারতের প্রধান শক্তি সম্পদগুলি কী কী?

উঃ-   [1] কয়লা, খনিজ তেল থেকে উৎপাদিত তাপবিদ্যুৎ শক্তি। [2] খরস্রোতা নদী থেকে উৎপাদিত জলবিদ্যুৎ শক্তি। [3] ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় খনিজ থেকে উৎপন্ন পারমাণবিক শক্তি।

১৯।  ভারতের একটি আকরিক লোহা একটি কয়লা উত্তোলক কেন্দ্রের নাম লেখো।

উঃ-  আকরিক লোহা উত্তোলক কেন্দ্রওডিশার ময়ূরভঞ্জের গোৱুমহিধানী। কলো উত্তোলক কেন্দ্র ঝাড়খণ্ডের ঝরিয়া।

২০।  ঝাড়খণ্ডের কোথায় কয়লা পাওয়া যায় ?

উঃ-  ঝাড়খণ্ডের দামোদর উপত্যকার অন্তর্গত করিয়া, বোকারো, করণপুরা, গিরিডি, রামগড়, ডালটনগঞ্জ প্রভৃতি স্থানে কয়লা পাওয়া যায়। কয়লা উত্তোলনে ঝাড়খণ্ড ভারতে প্রথম স্থানাধিকারী।

২১।  সাগর সম্রাট সাগর বিকাশ কী?

উঃ-  মুম্বাই দরিয়া অঞ্চলের খনিজ তেল উত্তোলনকারী দুটি ভাসমান প্লাটফর্ম জাহাজ এর নাম সাগর সম্রাট সাগর বিকাশ। এই দুটি জাহাজের দ্বারা ভারতের সবথেকে বেশি খনিজ তেল উত্তোলন করা হয়।

২২।  পশ্চিমবঙ্গের দুটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নাম লেখো

উঃ-  পশ্চিমবঙ্গের দুটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হল [1] কোলাঘাট [2] ব্যান্ডেল। কোলাঘাট পশ্চিমবঙ্গের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

২৩।  খনিজ তেলের উপজাত দ্রব্যগুলি কী কী?

উঃ-  [1] অ্যাসফাল্ট বা পিচ, [2] ন্যাপথা, [3] কার্বন ব্ল্যাক, [4] ভেসলিন। এইসকল উপজাত দ্রব্য বিভিন্ন শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২৪।  প্রচলিত শক্তির উৎস কী?

উঃ-  প্রচলিত শক্তির উৎস হলকয়লা, খনিজ তেল, খরস্রোতা নদী, ইউরেনিয়াম থোরিয়াম প্রভৃতি তেজস্ক্রিয় খনিজ। শক্তির এই উৎসগুলি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করা হচ্ছে।

২৫।  অপ্রচলিত শক্তির উৎস কী?

উঃ-  অপ্রচলিত শক্তির উৎস হলসূর্যালোক, বায়ুপ্রবাহ, জোয়ারভাটা, সমুদ্রের তরঙ্গ, ভূতাপ প্রভৃতি। অপ্রচলিত শক্তির উৎসগুলির ভাণ্ডার অফুরন্ত।

২৬।  সম্পদের বৈশিষ্ট্যগুলি আলোচনা করো।

উঃ-  সম্পদ কোনো বস্তু নয়, ওই বস্তুর অভাব পূরণের ক্ষমতা। সম্পদের মূল বৈশিষ্ট্যগুলি হল— [1] উপযোগিতা, [2] কার্যকারিতা, [3] গ্রহণযোগ্যতা, [4] প্রয়োগযোগ্যতা, [5] সর্বজনীন চাহিদা, [6] সহজলভ্যতা, [7] সীমাবদ্ধতা, [] ক্ষয়শীলতা, [9] পরিবেশমিত্রতা, [10] জীবমণ্ডলকে সংরক্ষণ করার ক্ষমতা

২৭।  ভারতের তিনটি কয়লাখনি অঞ্চলের নাম লেখো।

 উঃ-  ভারতের তিনটি কয়লাখনি অঞ্চলের নাম-

[1] দামোদর উপত্যকা কয়লা বলয় : এটি ভারতের সর্বোৎকৃষ্ট কয়লা বলয়। এখানকার রানিগঞ্জ, ঝরিয়া উল্লেখযোগ্য খনি অঞ্চল।

[2] মহানদী উপত্যকা কয়লা বলয় : ওডিশার তালচের, রামপুর, ছত্তিশগড়ের কোরবা।

[3] সোন উপত্যকা কয়লা বলয় : মধ্যপ্রদেশের উমারিয়া, ছত্তিশগড়ের ঝিলিমিলি।

২৮।   সম্পদের পুনরাবর্তন কী?

উঃ-  যেসকল সম্পদ ক্রমাগত ব্যবহার করলে তা সাময়িকভাবে হ্রাস পেলেও একদা ফুরিয়ে যায় না এবং সেগুলিকে আবার ব্যবহার করা যায় তাকেই সম্পদের পুনরাবর্তন বলে। যেমনলোহা, তামা, সোনা প্রভৃতি।

২৯।   প্রবহমান সম্পদ কাকে বলে?

উঃ-   যেসব সম্পদ সবসময় ব্যবহার করলেও ফুরিয়ে যাবার সম্ভাবনা নেই সেই ধরনের সম্পদকে প্রবহমান সম্পদ বলে। যেমনসূর্যালোক, বায়ুপ্রবাহ প্রভৃতি।

৩০।  পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের কাঁচামাল কী কী ?

উঃ-   ইউরেনিয়াম, থোরিয়াম, প্লুটোনিয়াম, ভারী জল, হাইড্রোজেনহল পারমাণবিক শক্তির কাঁচামাল।

৩১।  সাংস্কৃতিক সম্পদ কী?

উঃ-  মানুষের জ্ঞান, বুদ্ধি এবং প্রয়োগকৌশল যেসব সম্পন্ন সৃষ্টিতে সহায়তা করে তাই সাংস্কৃতিক সম্পদ। মানুষ হল সাংস্কৃতিক সম্পদের স্রষ্টা। প্রকৃতপক্ষে সাংস্কৃতিক সম্পদের উন্নতি না হলে কোনো সম্পদই সম্পদ হিসেবে ব্যবহৃত হত না।

৩২।   সম্পদের বাধা কী?

উঃ-  যেসব উপাদান সম্পদ সৃষ্টিতে বাধা দেয় বা মানুষের তৈরি সম্পদকে ধ্বংস করে বা নষ্ট করে তাকেই সম্পদের বাধা বলে। যেমনঘূর্ণিঝড়, যুদ্ধ, ধর্মীয় গোঁড়ামি প্রভৃতি।

৩৩।  জাতীয় সম্পদ কী ?

উঃ-   যেসব সম্পদ কোনো রাষ্ট্র বা দেশের অধীনে থাকে, তাকে জাতীয় সম্পদ বলে। যেমনখনিজ সম্পদ, বনজ সম্পদ, হ্রদ, নদনদী হল জাতীয় সম্পদের উদাহরণ।

৩৪।  সামাজিক সম্পদ কী?

উঃ-   যেসকল সম্পদ সমাজের দ্বারা পরিচালিত হয়, সমাজের অধীনে থাকে এবং সামাজিক চাহিদা পূরণ করে, তাকে সামাজিক সম্পদ বলে। যেমনস্কুল, কলেজ, হাসপাতাল প্রভৃতি। 

৩৫।  আন্তর্জাতিক সম্পদ কী?

উঃ-   যেসকল সম্পদ ব্যক্তিগত বা রাষ্ট্রগত নয়, সমগ্র মানব জাতির সেই সকল সম্পদকে আন্তর্জাতিক সম্পদ বলে। যেমনমহাসাগর, অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশ, ওজোনস্তর প্রভৃতি।

 ৩৬।  সবুজ জ্বালানি কাকে বলে ?

উঃ-  পরিবেশের পক্ষে হিতকর জ্বালানিকে সবুজ জ্বালানি বলে। বর্তমানে পরিবেশ দূষণ রোধ করার জন্য ডিজেলকে সালফারমুক্ত এবং পেট্রোলকে সিসামুক্ত করা হচ্ছে। এগুলিকে সবুজ জ্বালানি বলে।

 

Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url